Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭ টাকা ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

ঢাকায় শুরু হচ্ছে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার, অংশ নেবে ১০ দেশের ২০০ প্রতিষ্ঠান

  • Md Sadikul islam (shopnil)
  • Update Time : ০৬:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ Time View

দেশ-বিদেশের পর্যটন ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিয়ে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (এটিএফ) ২০২৬। আগামী ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে মেলা। এতে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে অংশ নেবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানের ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

আয়োজকেরা জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহযোগিতায় মেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে হোটেল, রিসোর্ট, এয়ারলাইনস, ক্রুজ কোম্পানি, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি, পর্যটন প্রতিষ্ঠান, সরকারি পর্যটন সংস্থা এবং ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও মিশন অংশ নেবে।

মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পর্যটন পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের ভ্রমণ প্যাকেজ ও বিশেষ ছাড়ের অফার থাকবে। আসন্ন শীত মৌসুমকে সামনে রেখে দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন ভ্রমণ প্যাকেজ বুকিংয়ের সুযোগও রাখা হয়েছে।

মেলার অন্যতম আয়োজন ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ শোকেজ’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম শোকেজ’ ও ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম ইনভেস্টমেন্ট শোকেজ’। এ ছাড়া বিটুবি (বিজনেস টু বিজনেস) সেশন, সেমিনার, ডেস্টিনেশন ও প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, প্যানেল আলোচনা এবং নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্কিল প্যাভিলিয়ন’ থাকবে। আয়োজকেরা জানান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মেলা পরিদর্শন করে শিল্পসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা নেওয়া ও অ্যাসাইনমেন্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন পর্যটনবিচিত্রার সম্পাদক ও এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল। তিনি বলেন, মেলার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটন অংশীজনদের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যটন পণ্য প্রচার ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের হাওর, সুন্দরবন, নৌ পর্যটন, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, কমিউনিটি ট্যুরিজম ও পরিবেশ পর্যটনকে এবারের আয়োজনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পাশাপাশি মানবসম্পদকে পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। পর্যটনকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে বিনিয়োগ ও দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ দেশ-বিদেশে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় মেলাটিকে অনুমোদন দিয়েছে এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এতে সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ করবে।

আয়োজকদের তথ্যমতে, এবারের মেলা এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের ১৩তম আসর। এর আগে ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ‘ঢাকা ট্যুরিজম ফেয়ার’ নামে চারটি মেলা আয়োজন করা হয়। ২০১১ সাল থেকে ‘এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার’ নামে এ আয়োজন হয়ে আসছে।

১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় মেলার উদ্বোধন হবে। এতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব গেস্ট অব অনার এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতেরা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান হবে। এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী প্রধান অতিথি এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। পার্টনার কান্ট্রি হিসেবে রয়েছে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও মালদ্বীপ। প্লাটিনাম পার্টনার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, কো-স্পন্সর ছুটি কক্সবাজার, হসপিটালিটি পার্টনার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান, ইনভেস্টমেন্ট পার্টনার ভাইয়া হোটেলস এবং অ্যাগ্রো ট্যুরিজম পার্টনার সুখের খামার।

এ ছাড়া কনভয় সার্ভিস ট্রান্সপোর্ট পার্টনার, এম৩৬০ আইসিটি পার্টনার, দ্য ট্রাভেল বাউন্ড অফিসিয়াল পাবলিকেশন, ঢাকা ডিনার ক্রুজ পার্টনার এবং এনআরবি ভিস্তারা লিমিটেড অফিসিয়াল ট্রাভেল পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার মো. জিয়াউল হক হাওলাদারের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিসহ মেলার বিভিন্ন পার্টনার ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট খবির-উদ্দিন আহমেদ, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্রাভেল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের সভাপতি তানজিম আনোয়ারসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেলায় দর্শনার্থীদের প্রবেশমূল্য ৩০ টাকা। প্রবেশ কুপনের মাধ্যমে র‍্যাফেল ড্রতে অংশ নেওয়া যাবে। এতে এয়ার টিকিটসহ দেশ-বিদেশ ভ্রমণের বিভিন্ন পুরস্কার ও গিফট ভাউচার থাকবে বলেও জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

Share this news as a Photo Card

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ

04 October 2026

ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

www.hostbuybd.com

ঢাকায় শুরু হচ্ছে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার, অংশ নেবে ১০ দেশের ২০০ প্রতিষ্ঠান

Update Time : ০৬:৫৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশ-বিদেশের পর্যটন ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিয়ে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (এটিএফ) ২০২৬। আগামী ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে মেলা। এতে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে অংশ নেবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানের ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

আয়োজকেরা জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সহযোগিতায় মেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে হোটেল, রিসোর্ট, এয়ারলাইনস, ক্রুজ কোম্পানি, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি, পর্যটন প্রতিষ্ঠান, সরকারি পর্যটন সংস্থা এবং ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও মিশন অংশ নেবে।

মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পর্যটন পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের ভ্রমণ প্যাকেজ ও বিশেষ ছাড়ের অফার থাকবে। আসন্ন শীত মৌসুমকে সামনে রেখে দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন ভ্রমণ প্যাকেজ বুকিংয়ের সুযোগও রাখা হয়েছে।

মেলার অন্যতম আয়োজন ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ শোকেজ’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম শোকেজ’ ও ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম ইনভেস্টমেন্ট শোকেজ’। এ ছাড়া বিটুবি (বিজনেস টু বিজনেস) সেশন, সেমিনার, ডেস্টিনেশন ও প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, প্যানেল আলোচনা এবং নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্কিল প্যাভিলিয়ন’ থাকবে। আয়োজকেরা জানান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মেলা পরিদর্শন করে শিল্পসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা নেওয়া ও অ্যাসাইনমেন্ট করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন পর্যটনবিচিত্রার সম্পাদক ও এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল। তিনি বলেন, মেলার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি পর্যটন অংশীজনদের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যটন পণ্য প্রচার ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের হাওর, সুন্দরবন, নৌ পর্যটন, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, কমিউনিটি ট্যুরিজম ও পরিবেশ পর্যটনকে এবারের আয়োজনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পাশাপাশি মানবসম্পদকে পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। পর্যটনকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে বিনিয়োগ ও দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে আন্তর্জাতিক মেলার আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগ দেশ-বিদেশে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় মেলাটিকে অনুমোদন দিয়েছে এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এতে সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ করবে।

আয়োজকদের তথ্যমতে, এবারের মেলা এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের ১৩তম আসর। এর আগে ২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ‘ঢাকা ট্যুরিজম ফেয়ার’ নামে চারটি মেলা আয়োজন করা হয়। ২০১১ সাল থেকে ‘এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার’ নামে এ আয়োজন হয়ে আসছে।

১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় মেলার উদ্বোধন হবে। এতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রণালয়ের সচিব গেস্ট অব অনার এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতেরা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

১৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায় মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান হবে। এতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী প্রধান অতিথি এবং পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এবারের মেলার টাইটেল স্পন্সর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। পার্টনার কান্ট্রি হিসেবে রয়েছে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও মালদ্বীপ। প্লাটিনাম পার্টনার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, কো-স্পন্সর ছুটি কক্সবাজার, হসপিটালিটি পার্টনার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান, ইনভেস্টমেন্ট পার্টনার ভাইয়া হোটেলস এবং অ্যাগ্রো ট্যুরিজম পার্টনার সুখের খামার।

এ ছাড়া কনভয় সার্ভিস ট্রান্সপোর্ট পার্টনার, এম৩৬০ আইসিটি পার্টনার, দ্য ট্রাভেল বাউন্ড অফিসিয়াল পাবলিকেশন, ঢাকা ডিনার ক্রুজ পার্টনার এবং এনআরবি ভিস্তারা লিমিটেড অফিসিয়াল ট্রাভেল পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার মো. জিয়াউল হক হাওলাদারের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মালদ্বীপ ও মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিসহ মেলার বিভিন্ন পার্টনার ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট খবির-উদ্দিন আহমেদ, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্রাভেল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের সভাপতি তানজিম আনোয়ারসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেলায় দর্শনার্থীদের প্রবেশমূল্য ৩০ টাকা। প্রবেশ কুপনের মাধ্যমে র‍্যাফেল ড্রতে অংশ নেওয়া যাবে। এতে এয়ার টিকিটসহ দেশ-বিদেশ ভ্রমণের বিভিন্ন পুরস্কার ও গিফট ভাউচার থাকবে বলেও জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

Share this news as a Photo Card