Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭ টাকা ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

টপ মার্চেন্টদের স্বীকৃতি দিল পাঠাও কুরিয়ার, পুরস্কার হিসেবে মিলল ওমরাহ ও কাপল প্যাকেজ

বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় কোয়ার্টারে চমৎকার পারফরম্যান্সের জন্য টপ মার্চেন্টদের স্বীকৃতি দিতে ‘সেরা মার্চেন্ট সম্মাননা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পাঠাও কুরিয়ার।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পাঠাওয়ের হেডকোয়ার্টারে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে চারটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে মার্চেন্টদের অর্জন উদ্‌যাপন করা হয়। এ সময় একজন মার্চেন্টকে ওমরাহ প্যাকেজ এবং তিনজন মার্চেন্টকে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা কাপল প্যাকেজ উপহার দেওয়া হয়।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে মার্চেন্টদের ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ও বড় স্বপ্ন পূরণের যাত্রায় পাশে থাকার কথা জানিয়েছে পাঠাও কুরিয়ার। নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি সার্ভিস দেওয়ার পাশাপাশি মার্চেন্টদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিতে তাদের এই যাত্রায় অংশীদার হিসেবে পাশে থাকার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্টার মার্চেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে ওমরাহ প্যাকেজ পেয়েছে ‘ফালাক ফুড’। ‘আশ-শিফা অর্গানিক কেয়ার’ ও ‘মিলানা’ পেয়েছে টপ মার্চেন্টের স্বীকৃতি। উভয় প্রতিষ্ঠানকে একটি করে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা কাপল প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘গুড ওয়ান’ টপ ইনস্টাপ মার্চেন্ট হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিও একটি ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা কাপল প্যাকেজ পেয়েছে।

পাঠাও কুরিয়ারের চিফ অপারেটিং অফিসার আহমেদ দেলোয়ার হোসেন মারুফ বলেন, ‘প্রতিটি মার্চেন্টের সাফল্য আমাদের পুরো ইকোসিস্টেমের অগ্রগতির সঙ্গে জড়িত। আজকের এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা তাদের পরিশ্রম ও সফলতাকে সম্মান জানাচ্ছি। পাঠাও কুরিয়ার সবসময় মার্চেন্টদের ব্যবসা আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় টেকনোলজি, সার্ভিস এবং সাপোর্ট দিয়ে থাকে।’

পাঠাও কুরিয়ারের কাছে এই সম্মাননা শুধু সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিটি অর্ডারের পেছনে এমন একজন মার্চেন্ট রয়েছেন, যিনি গ্রাহকদের সেবা দিতে, নিজের ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ঘটাতে এবং একটি ধারণাকে বড় কিছুতে রূপ দিতে কাজ করছেন। ‘সেরা মার্চেন্ট সম্মাননা’ সেই প্রচেষ্টাগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং পাঠাও কুরিয়ারের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া মার্চেন্টদের উদ্‌যাপনের একটি মাধ্যম।

মার্চেন্টদের এই অগ্রযাত্রায় সহায়তা করতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম পাঠাও নিয়ে এসেছে ‘পাঠাও কমার্স’। এটি একটি অল-ইন-ওয়ান প্ল্যাটফর্ম, যেখানে স্টোরফ্রন্ট, সেলস চ্যানেল, অর্ডার, ইনভেন্টরি, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও কাস্টমার কমিউনিকেশন এক জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে।

পুরস্কারগুলোও বাছাই করা হয়েছে একটি সহজ চিন্তা থেকে—কখনো কখনো মার্চেন্টদের পথচলায় পাশে থাকার অর্থ হলো, যে স্বপ্নগুলোর জন্য তাঁরা কাজ করছেন, তার অংশ হওয়া। ওমরাহ যাত্রা থেকে শুরু করে প্রিয়জনকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণ—এই সম্মাননা ব্যবসায়িক অর্জনগুলোকে বিভিন্ন অভিজ্ঞতায় রূপ দিয়েছে।

ফালাক ফুডের প্রতিনিধি (স্টার মার্চেন্ট) বলেন, ‘স্টার মার্চেন্ট হিসেবে সম্মাননা পাওয়া এবং সঙ্গে ওমরাহ প্যাকেজ জিতে নেওয়া আমার জন্য খুবই আনন্দের। ওমরাহ করা আমার অনেক দিনের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য পাঠাও কুরিয়ারকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’

মিলানার প্রতিনিধি (টপ মার্চেন্ট) বলেন, ‘টপ মার্চেন্ট হিসেবে সম্মাননা পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত। এই সম্মাননা আমার পরিশ্রমের জন্য খুবই বড় অনুপ্রেরণা। এর সঙ্গে কক্সবাজার ভ্রমণ প্যাকেজ উপহার পাওয়া আনন্দটাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পাঠাও কুরিয়ারকে অনেক ধন্যবাদ।’

পাঠাও কুরিয়ার বাংলাদেশের ছোট থেকে বড় বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ‘সেরা মার্চেন্ট সম্মাননা’র মতো উদ্যোগগুলো সেইসব মার্চেন্টকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন, যারা তাদের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের প্রবৃদ্ধি পাঠাওয়ের বড় গল্পেরই অংশ এবং এই পথচলার প্রতিটি সাফল্যের অংশীদার তারাও।

ধারাবাহিক সহায়তা, স্বীকৃতি ও বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে পাঠাও কুরিয়ার এমন একটি অংশীদার হয়ে থাকতে চায়, যা মার্চেন্টদের শুধু ব্যবসায় এগিয়ে নেবে না, বরং তাদের স্বপ্নের আরও কাছাকাছি পৌঁছাতেও পাশে থাকবে।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে, যা মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি অনেকের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাঠাও বাংলাদেশের বৃহত্তম ডিজিটাল কমার্স প্ল্যাটফর্ম এবং রাইড-শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স লজিস্টিকসে বাজারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ১৫ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী, ৪ লাখ পাঠাও হিরো, ২ লাখ মার্চেন্ট ও ১৫ হাজার রেস্টুরেন্ট পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে পাঠাও সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে।

Share this news as a Photo Card

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ

04 October 2026

ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

www.hostbuybd.com

টপ মার্চেন্টদের স্বীকৃতি দিল পাঠাও কুরিয়ার, পুরস্কার হিসেবে মিলল ওমরাহ ও কাপল প্যাকেজ

Update Time : ০৬:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় কোয়ার্টারে চমৎকার পারফরম্যান্সের জন্য টপ মার্চেন্টদের স্বীকৃতি দিতে ‘সেরা মার্চেন্ট সম্মাননা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পাঠাও কুরিয়ার।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পাঠাওয়ের হেডকোয়ার্টারে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে চারটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে মার্চেন্টদের অর্জন উদ্‌যাপন করা হয়। এ সময় একজন মার্চেন্টকে ওমরাহ প্যাকেজ এবং তিনজন মার্চেন্টকে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা কাপল প্যাকেজ উপহার দেওয়া হয়।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে মার্চেন্টদের ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ও বড় স্বপ্ন পূরণের যাত্রায় পাশে থাকার কথা জানিয়েছে পাঠাও কুরিয়ার। নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি সার্ভিস দেওয়ার পাশাপাশি মার্চেন্টদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিতে তাদের এই যাত্রায় অংশীদার হিসেবে পাশে থাকার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্টার মার্চেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে ওমরাহ প্যাকেজ পেয়েছে ‘ফালাক ফুড’। ‘আশ-শিফা অর্গানিক কেয়ার’ ও ‘মিলানা’ পেয়েছে টপ মার্চেন্টের স্বীকৃতি। উভয় প্রতিষ্ঠানকে একটি করে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা কাপল প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘গুড ওয়ান’ টপ ইনস্টাপ মার্চেন্ট হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিও একটি ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা কাপল প্যাকেজ পেয়েছে।

পাঠাও কুরিয়ারের চিফ অপারেটিং অফিসার আহমেদ দেলোয়ার হোসেন মারুফ বলেন, ‘প্রতিটি মার্চেন্টের সাফল্য আমাদের পুরো ইকোসিস্টেমের অগ্রগতির সঙ্গে জড়িত। আজকের এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা তাদের পরিশ্রম ও সফলতাকে সম্মান জানাচ্ছি। পাঠাও কুরিয়ার সবসময় মার্চেন্টদের ব্যবসা আরও এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় টেকনোলজি, সার্ভিস এবং সাপোর্ট দিয়ে থাকে।’

পাঠাও কুরিয়ারের কাছে এই সম্মাননা শুধু সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিটি অর্ডারের পেছনে এমন একজন মার্চেন্ট রয়েছেন, যিনি গ্রাহকদের সেবা দিতে, নিজের ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ঘটাতে এবং একটি ধারণাকে বড় কিছুতে রূপ দিতে কাজ করছেন। ‘সেরা মার্চেন্ট সম্মাননা’ সেই প্রচেষ্টাগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং পাঠাও কুরিয়ারের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া মার্চেন্টদের উদ্‌যাপনের একটি মাধ্যম।

মার্চেন্টদের এই অগ্রযাত্রায় সহায়তা করতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম পাঠাও নিয়ে এসেছে ‘পাঠাও কমার্স’। এটি একটি অল-ইন-ওয়ান প্ল্যাটফর্ম, যেখানে স্টোরফ্রন্ট, সেলস চ্যানেল, অর্ডার, ইনভেন্টরি, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও কাস্টমার কমিউনিকেশন এক জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে।

পুরস্কারগুলোও বাছাই করা হয়েছে একটি সহজ চিন্তা থেকে—কখনো কখনো মার্চেন্টদের পথচলায় পাশে থাকার অর্থ হলো, যে স্বপ্নগুলোর জন্য তাঁরা কাজ করছেন, তার অংশ হওয়া। ওমরাহ যাত্রা থেকে শুরু করে প্রিয়জনকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণ—এই সম্মাননা ব্যবসায়িক অর্জনগুলোকে বিভিন্ন অভিজ্ঞতায় রূপ দিয়েছে।

ফালাক ফুডের প্রতিনিধি (স্টার মার্চেন্ট) বলেন, ‘স্টার মার্চেন্ট হিসেবে সম্মাননা পাওয়া এবং সঙ্গে ওমরাহ প্যাকেজ জিতে নেওয়া আমার জন্য খুবই আনন্দের। ওমরাহ করা আমার অনেক দিনের স্বপ্ন। এই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য পাঠাও কুরিয়ারকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’

মিলানার প্রতিনিধি (টপ মার্চেন্ট) বলেন, ‘টপ মার্চেন্ট হিসেবে সম্মাননা পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত। এই সম্মাননা আমার পরিশ্রমের জন্য খুবই বড় অনুপ্রেরণা। এর সঙ্গে কক্সবাজার ভ্রমণ প্যাকেজ উপহার পাওয়া আনন্দটাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পাঠাও কুরিয়ারকে অনেক ধন্যবাদ।’

পাঠাও কুরিয়ার বাংলাদেশের ছোট থেকে বড় বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ‘সেরা মার্চেন্ট সম্মাননা’র মতো উদ্যোগগুলো সেইসব মার্চেন্টকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন, যারা তাদের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের প্রবৃদ্ধি পাঠাওয়ের বড় গল্পেরই অংশ এবং এই পথচলার প্রতিটি সাফল্যের অংশীদার তারাও।

ধারাবাহিক সহায়তা, স্বীকৃতি ও বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে পাঠাও কুরিয়ার এমন একটি অংশীদার হয়ে থাকতে চায়, যা মার্চেন্টদের শুধু ব্যবসায় এগিয়ে নেবে না, বরং তাদের স্বপ্নের আরও কাছাকাছি পৌঁছাতেও পাশে থাকবে।

২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে, যা মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি অনেকের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাঠাও বাংলাদেশের বৃহত্তম ডিজিটাল কমার্স প্ল্যাটফর্ম এবং রাইড-শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স লজিস্টিকসে বাজারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। ১৫ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী, ৪ লাখ পাঠাও হিরো, ২ লাখ মার্চেন্ট ও ১৫ হাজার রেস্টুরেন্ট পার্টনারকে সঙ্গে নিয়ে পাঠাও সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে।

Share this news as a Photo Card