Dhaka ০৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
বিয়ে নিয়ে কেয়া পায়েলের ভাবনা, জীবনসঙ্গী হিসেবে চান বিশ্বাস ও সম্মান জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারকে সহযোগিতা করবে জামায়াত: গোলাম পরওয়ার মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

সবজির চড়া দামে স্বস্তি কাঁচা মরিচে, মাছ-মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত

  • Md Sadikul islam (shopnil)
  • Update Time : ০৬:৪৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ Time View

রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবচেয়ে দামি সবজির তালিকায় রয়েছে শিম। আর সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। শিমের কেজি ২০০ টাকা, আর পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। অন্যান্য সবজি কিনতে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ৭০ টাকা। তবে চলতি সপ্তাহে মাছ, মাংস ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই রয়েছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ টাকা। মাছের দাম বাজারভেদে কেজিতে কোথাও ২০ টাকা কম, আবার কোথাও ১০ টাকা বেশি।

শুক্রবার রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা তুলনামূলক কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।

শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দামে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি।

সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে কেজিপ্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত ওঠা কাঁচা মরিচ সরবরাহ বাড়ায় এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেশি থাকা সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং কচুরমুখি ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সবজি ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি।’

বাজারে ঘুরে আরও দেখা যায়, মুরগির দামেও তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫৫ টাকা এবং চারটি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা মাসুম বলেন, ‘এখন ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।’

এদিকে মাছের বাজারেও প্রায় একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে কেনা যাচ্ছে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

তবে মাছের আকার এবং জীবিত বা মৃত হওয়ার ওপরও দাম নির্ভর করে। বাজারভেদে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমবেশি হতে পারে।

মাছ বিক্রেতা সুলতান আহমদ বলেন, ‘মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।’

Share this news as a Photo Card

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিয়ে নিয়ে কেয়া পায়েলের ভাবনা, জীবনসঙ্গী হিসেবে চান বিশ্বাস ও সম্মান

04 October 2026

ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

www.hostbuybd.com

সবজির চড়া দামে স্বস্তি কাঁচা মরিচে, মাছ-মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত

Update Time : ০৬:৪৮:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবচেয়ে দামি সবজির তালিকায় রয়েছে শিম। আর সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। শিমের কেজি ২০০ টাকা, আর পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। অন্যান্য সবজি কিনতে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ৭০ টাকা। তবে চলতি সপ্তাহে মাছ, মাংস ও ডিমের দাম প্রায় আগের মতোই রয়েছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮০ টাকা। মাছের দাম বাজারভেদে কেজিতে কোথাও ২০ টাকা কম, আবার কোথাও ১০ টাকা বেশি।

শুক্রবার রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা তুলনামূলক কম দামে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।

শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দামে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি।

সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে কেজিপ্রতি ২০০ টাকা পর্যন্ত ওঠা কাঁচা মরিচ সরবরাহ বাড়ায় এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

দাম বেশি থাকা সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং কচুরমুখি ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সবজি ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘আজ বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা ও এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি।’

বাজারে ঘুরে আরও দেখা যায়, মুরগির দামেও তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫৫ টাকা এবং চারটি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা মাসুম বলেন, ‘এখন ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।’

এদিকে মাছের বাজারেও প্রায় একই চিত্র। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে কেনা যাচ্ছে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

তবে মাছের আকার এবং জীবিত বা মৃত হওয়ার ওপরও দাম নির্ভর করে। বাজারভেদে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমবেশি হতে পারে।

মাছ বিক্রেতা সুলতান আহমদ বলেন, ‘মাছের দাম আগের মতোই আছে। আজকে তেলাপিয়া ২৫০ টাকা আর পাঙাশ ২২০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। মাছের দাম সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।’

Share this news as a Photo Card