Dhaka ০৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারকে সহযোগিতা করবে জামায়াত: গোলাম পরওয়ার মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭ টাকা

গৌরবগাথা: গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের ৬৫ বছর

ঐতিহ্যবাহী গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, ঢাকা—প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। এ বছর এ প্রতিষ্ঠানটির গৌরবগাথা ৬৫ বছর পূর্ণ হলো। অর্ধ শতাব্দিকাল ধরে এ বিদ্যালয়টি শুধু দেশেই নয়, পৃথিবীর বহু দেশে শিক্ষার গৌরবদীপ্ত আলো পৌঁছে দিয়েছে। ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষণরত শিক্ষার্থীদের অনুশীলন পাঠদানের গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানরূপে গড়ে উঠলেও পরবর্তীতে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মাইলফলক হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। আধুনিক ঢাকার কেন্দ্রস্থল ধানমন্ডি ১নং সড়কের দক্ষিণ পাশে ঢাকা কলেজ ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকা সংলগ্ন এ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক খান মুহাম্মদ সালেকের মেধা, মনন ও অপরিসীম কর্মোদ্যমে বিদ্যালয়টি কম সময়ের মধ্যেই খ্যাতির স্বর্ণ শিখরে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিল।
১৯৬৪ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে স্কুলের একজন ছাত্র বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করে সফলতার যাত্রা শুরু করে। এরপর প্রতিবছরই এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় একাধিক স্থান অধিকার করে আসছিল। ১৯৯৩ সালে এ বিদ্যালয়ের ফলাফল ছিল খুবই গৌরবোজ্জ্বল। মেধা তালিকায় মোট ২০টি স্থানের মধ্যে ১৭টি স্থানই দখল করে নেয় এ বিদ্যালয়। জিপিএ-৫ ব্যবস্থা প্রবর্তনের পরও এ বিদ্যালয় পূর্বের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ন্যায় শিক্ষার্থীদের আধিক্য না থাকলেও কমসংখ্যক শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়ে জিপিএ- প্রাপ্তি ঈর্ষণীয় পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিবছর মোট ছাত্রের ৮০% উপরে জিপিএ-৫ পেয়ে আসছে এবং প্রতিবছর প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা বোর্ডে শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অবস্থান অটুট রাখতে সক্ষম হচ্ছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হোমায়রা সাঈদ,ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল মান্নান ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান নেতৃত্বে ৬৩ জন শিক্ষক ও ১৩ জন কর্মচারী কর্তৃক পরিচালিত এ বিদ্যালয়ে দুইটি একাডেমিক ভবন রয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রশস্ত খেলার মাঠের পশ্চিম পাশে রয়েছে ৫০০ আসনবিশিষ্ট একটি অডিটোরিয়াম। অসংখ্য গাছ-গাছালি আর সুসজ্জিত বাগানে বিদ্যালয়ের প্রতিটি পরতে পরতে রয়েছে জ্ঞান ভাণ্ডার। বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে নজরে আসবে ‘জ্ঞানের জন্য এসো’ এবং বের হতে দৃষ্টি কাড়বে ‘সেবার জন্য বেরিয়ে যাও’। সব মিলে বরেণ্য বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির মাঝে শিক্ষার যে শিক্ষা দর্শন তার প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাবে এখানে। আট হাজার বইয়ে সমৃদ্ধ রয়েছে পাঠাগার। শিক্ষার্থীদের তথ্য-প্রযুক্তি জ্ঞান সমৃদ্ধ করার জন্য ২৮টি কম্পিউটারসম্বলিত রয়েছে একটি কম্পিউটার ল্যাব। উন্নত বিশ্বের মত প্রজেক্টর, অডিও, ভিডিও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ শ্রেণীকক্ষ তৈরি করা হচ্ছে।
পাশাপাশি রয়েছে সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলার জন্য পৃথিবীর বিখ্যাত চারজন মনীষী আল বেরুনী, আল মামুন, ওমর খৈয়াম ও সালাউদ্দিন-এর নামানুসারে চারটি হাউসে ভাগ করা হয়েছে। সকল শিক্ষার্থী এ চারটি হাউসে অন্তর্ভুক্ত থেকে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। নামাজ আদায়ের জন্য রয়েছে সুব্যবস্থা। বার্ষিক মিলাদ, সরস্বতী পূজা ছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করা হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়। বিদ্যালয়ে কাব স্কাউটস, বিএনসিসি ও রেড ক্রিসেন্ট নামের বিভিন্ন দলে ছাত্রদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তারা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে এবং বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। ২০০৮, ২০০৯ সালে দু’জন বিএনসিসি সদস্য জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেছে। বিতর্ক ক্লাব, কুইজ ক্লাব, গণিত ক্লাব নামে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাব রয়েছে।
শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সফল করার জন্য শিক্ষক-ছাত্র-অভিভাবকদের মতামতের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে বাস্তবমুখী যুগোপযোগী পাঠদানে তৎপর এ বিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রীধারী শিক্ষকগণ। এখানে পিএইচডি ও এমফিল ডিগ্রীধারী শিক্ষকও রয়েছেন। বিদ্যালয়ে রয়েছে উন্নত বিজ্ঞান গবেষণাগার। প্রতিবছর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হয় বার্ষিকী ‘অনুশীলন’। শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সফরেরও ব্যবস্থা থাকে। প্রতিবছর ৩ সেপ্টেম্বর রঙিন কাগজ, ফুল, বেলুনসহ নানা রঙে শ্রেণীকক্ষ রাঙিয়ে কেক কেটে ও মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। এ দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের অনেক প্রাক্তন ছাত্র দেশ ও বিদেশ থেকে স্কুল প্রাঙ্গণে এসে ও টেলিফোনের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নেন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন OLSA Old Laboratorians Associations প্রতিবছর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বার্ষিকী প্রকাশ করে থাকে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করে বিদ্যালয়ের গৌরব আরো বৃদ্ধি করেছে। এদের আলোয় উদ্ভাসিত আজ বিশ্ববাসী।
লেখক: গবেষক ও প্রবন্ধকার
ইমেল: azad2069@gmail.com

Share this news as a Photo Card

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারকে সহযোগিতা করবে জামায়াত: গোলাম পরওয়ার

04 October 2026

এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭ টাকা

www.hostbuybd.com

গৌরবগাথা: গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের ৬৫ বছর

Update Time : ০৯:৪১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঐতিহ্যবাহী গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, ঢাকা—প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর। এ বছর এ প্রতিষ্ঠানটির গৌরবগাথা ৬৫ বছর পূর্ণ হলো। অর্ধ শতাব্দিকাল ধরে এ বিদ্যালয়টি শুধু দেশেই নয়, পৃথিবীর বহু দেশে শিক্ষার গৌরবদীপ্ত আলো পৌঁছে দিয়েছে। ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষণরত শিক্ষার্থীদের অনুশীলন পাঠদানের গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠানরূপে গড়ে উঠলেও পরবর্তীতে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মাইলফলক হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। আধুনিক ঢাকার কেন্দ্রস্থল ধানমন্ডি ১নং সড়কের দক্ষিণ পাশে ঢাকা কলেজ ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকা সংলগ্ন এ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক খান মুহাম্মদ সালেকের মেধা, মনন ও অপরিসীম কর্মোদ্যমে বিদ্যালয়টি কম সময়ের মধ্যেই খ্যাতির স্বর্ণ শিখরে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিল।
১৯৬৪ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে স্কুলের একজন ছাত্র বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করে সফলতার যাত্রা শুরু করে। এরপর প্রতিবছরই এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় একাধিক স্থান অধিকার করে আসছিল। ১৯৯৩ সালে এ বিদ্যালয়ের ফলাফল ছিল খুবই গৌরবোজ্জ্বল। মেধা তালিকায় মোট ২০টি স্থানের মধ্যে ১৭টি স্থানই দখল করে নেয় এ বিদ্যালয়। জিপিএ-৫ ব্যবস্থা প্রবর্তনের পরও এ বিদ্যালয় পূর্বের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়। অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ন্যায় শিক্ষার্থীদের আধিক্য না থাকলেও কমসংখ্যক শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়ে জিপিএ- প্রাপ্তি ঈর্ষণীয় পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিবছর মোট ছাত্রের ৮০% উপরে জিপিএ-৫ পেয়ে আসছে এবং প্রতিবছর প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ঢাকা বোর্ডে শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অবস্থান অটুট রাখতে সক্ষম হচ্ছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হোমায়রা সাঈদ,ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল মান্নান ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক মো: মিজানুর রহমান নেতৃত্বে ৬৩ জন শিক্ষক ও ১৩ জন কর্মচারী কর্তৃক পরিচালিত এ বিদ্যালয়ে দুইটি একাডেমিক ভবন রয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রশস্ত খেলার মাঠের পশ্চিম পাশে রয়েছে ৫০০ আসনবিশিষ্ট একটি অডিটোরিয়াম। অসংখ্য গাছ-গাছালি আর সুসজ্জিত বাগানে বিদ্যালয়ের প্রতিটি পরতে পরতে রয়েছে জ্ঞান ভাণ্ডার। বিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে নজরে আসবে ‘জ্ঞানের জন্য এসো’ এবং বের হতে দৃষ্টি কাড়বে ‘সেবার জন্য বেরিয়ে যাও’। সব মিলে বরেণ্য বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকৃতির মাঝে শিক্ষার যে শিক্ষা দর্শন তার প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাবে এখানে। আট হাজার বইয়ে সমৃদ্ধ রয়েছে পাঠাগার। শিক্ষার্থীদের তথ্য-প্রযুক্তি জ্ঞান সমৃদ্ধ করার জন্য ২৮টি কম্পিউটারসম্বলিত রয়েছে একটি কম্পিউটার ল্যাব। উন্নত বিশ্বের মত প্রজেক্টর, অডিও, ভিডিও প্রযুক্তিসমৃদ্ধ শ্রেণীকক্ষ তৈরি করা হচ্ছে।
পাশাপাশি রয়েছে সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলার জন্য পৃথিবীর বিখ্যাত চারজন মনীষী আল বেরুনী, আল মামুন, ওমর খৈয়াম ও সালাউদ্দিন-এর নামানুসারে চারটি হাউসে ভাগ করা হয়েছে। সকল শিক্ষার্থী এ চারটি হাউসে অন্তর্ভুক্ত থেকে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। নামাজ আদায়ের জন্য রয়েছে সুব্যবস্থা। বার্ষিক মিলাদ, সরস্বতী পূজা ছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করা হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়। বিদ্যালয়ে কাব স্কাউটস, বিএনসিসি ও রেড ক্রিসেন্ট নামের বিভিন্ন দলে ছাত্রদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তারা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে এবং বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। ২০০৮, ২০০৯ সালে দু’জন বিএনসিসি সদস্য জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার লাভ করেছে। বিতর্ক ক্লাব, কুইজ ক্লাব, গণিত ক্লাব নামে বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাব রয়েছে।
শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সফল করার জন্য শিক্ষক-ছাত্র-অভিভাবকদের মতামতের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে বাস্তবমুখী যুগোপযোগী পাঠদানে তৎপর এ বিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রীধারী শিক্ষকগণ। এখানে পিএইচডি ও এমফিল ডিগ্রীধারী শিক্ষকও রয়েছেন। বিদ্যালয়ে রয়েছে উন্নত বিজ্ঞান গবেষণাগার। প্রতিবছর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত হয় বার্ষিকী ‘অনুশীলন’। শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সফরেরও ব্যবস্থা থাকে। প্রতিবছর ৩ সেপ্টেম্বর রঙিন কাগজ, ফুল, বেলুনসহ নানা রঙে শ্রেণীকক্ষ রাঙিয়ে কেক কেটে ও মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়। এ দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ের অনেক প্রাক্তন ছাত্র দেশ ও বিদেশ থেকে স্কুল প্রাঙ্গণে এসে ও টেলিফোনের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নেন, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন OLSA Old Laboratorians Associations প্রতিবছর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বার্ষিকী প্রকাশ করে থাকে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করে বিদ্যালয়ের গৌরব আরো বৃদ্ধি করেছে। এদের আলোয় উদ্ভাসিত আজ বিশ্ববাসী।
লেখক: গবেষক ও প্রবন্ধকার
ইমেল: azad2069@gmail.com

Share this news as a Photo Card