Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭ টাকা ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

সরকারি খালে কালভার্ট নির্মাণে তদন্তের দাবি

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পশ্চিম সোশালিয়া এলাকায় সরকারি খালের ওপর নির্মাণাধীন একটি কালভার্টকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, নির্মাণকাজের কারণে খালের পানিপ্রবাহ সংকুচিত হলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম সোশালিয়া মৌলভী কাইতে বাড়ির সামনে সরকারি খালের ওপর কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, কালভার্ট নির্মাণের ফলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ আগের তুলনায় সংকুচিত হয়েছে। এতে ভারী বৃষ্টির সময় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, আদম আলী চুকানীর নাতি ইউছুপ সরকারি চাকরি করেন। তাঁর আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে স্থানীয়দের আপত্তি উপেক্ষা করে অন্যের জায়গা দখল করে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কালভার্টের পশ্চিম পাশে জমি নিয়ে বিরোধের কথা বলা কয়েকজন জমির মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের অনেকে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাঁদের অনুপস্থিতির সুযোগে অনুমতি ছাড়া কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তাঁরা।

অভিযোগের বিষয়ে আদম আলী চুকানীর নাতি ইউছুপের পরিবারের এক সদস্যের সঙ্গে কথা বলা হয়। কালভার্টের পশ্চিম পাশে জহির গংদের জায়গা কেনা হয়েছে কি না এবং এ-সংক্রান্ত দলিল বা বৈধ কাগজপত্র রয়েছে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কালভার্ট নির্মাণের ফলে সরকারি খাল, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি কিংবা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

Share this news as a Photo Card

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ

04 October 2026

ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

www.hostbuybd.com

সরকারি খালে কালভার্ট নির্মাণে তদন্তের দাবি

Update Time : ০৮:১৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পশ্চিম সোশালিয়া এলাকায় সরকারি খালের ওপর নির্মাণাধীন একটি কালভার্টকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, নির্মাণকাজের কারণে খালের পানিপ্রবাহ সংকুচিত হলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম সোশালিয়া মৌলভী কাইতে বাড়ির সামনে সরকারি খালের ওপর কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, কালভার্ট নির্মাণের ফলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ আগের তুলনায় সংকুচিত হয়েছে। এতে ভারী বৃষ্টির সময় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, আদম আলী চুকানীর নাতি ইউছুপ সরকারি চাকরি করেন। তাঁর আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে স্থানীয়দের আপত্তি উপেক্ষা করে অন্যের জায়গা দখল করে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কালভার্টের পশ্চিম পাশে জমি নিয়ে বিরোধের কথা বলা কয়েকজন জমির মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের অনেকে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাঁদের অনুপস্থিতির সুযোগে অনুমতি ছাড়া কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তাঁরা।

অভিযোগের বিষয়ে আদম আলী চুকানীর নাতি ইউছুপের পরিবারের এক সদস্যের সঙ্গে কথা বলা হয়। কালভার্টের পশ্চিম পাশে জহির গংদের জায়গা কেনা হয়েছে কি না এবং এ-সংক্রান্ত দলিল বা বৈধ কাগজপত্র রয়েছে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কালভার্ট নির্মাণের ফলে সরকারি খাল, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি কিংবা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

Share this news as a Photo Card