Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা বাড়ল, নতুন দাম ১,৮৩৭ টাকা ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

আগাম সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন টাঙ্গাইলের কৃষকেরা, বাড়ছে আবাদ

অনুকূল আবহাওয়া, কৃষি বিভাগের পরামর্শ, আধুনিক প্রযুক্তি ও নিবিড় পরিচর্যায় আশ্বিনের শুরুতেই টাঙ্গাইলের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে দেখা দিয়েছে আগাম শীতকালীন সবজির সবুজ সমারোহ। শীত আসতে এখনো তিন মাসের বেশি সময় বাকি থাকলেও আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কৃষকেরা।

মানসম্মত বীজ ব্যবহারে কারিগরি সহায়তা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শ পেয়ে ভালো দাম পাওয়ার আশায় শীতকালীন সবজি চাষে স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এরই মধ্যে শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। মাঠে মাঠে দেখা যাচ্ছে নানা ধরনের সবজি। এর মধ্যে রয়েছে মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, দেশি লাউ, গাজর ও শিম।

টাঙ্গাইলে সবজি চাষের জন্য পরিচিত পাহাড়ি অঞ্চল মধুপুর, ঘাটাইল, ধনবাড়ী ও সখীপুর এবং যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর অববাহিকার চরাঞ্চলের কৃষিজমি এখন নানা ধরনের সবজিতে ভরে উঠেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষিরা ভালোভাবেই ফসল উৎপাদন করছেন। শীতকালীন আগাম সবজির ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকেরা আগের তুলনায় আরও বেশি আগ্রহ নিয়ে চাষাবাদে নামছেন।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সারি সারি শাকসবজির আবাদ। অধিকাংশ কৃষিজমিতে মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, লাউ, টমেটো, লালশাক, পালংশাক ও পুঁইশাকসহ বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজির চাষ শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও আগাম জাতের লালশাক, মুলা ও লাউ ইতিমধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে।

মৌসুমের শুরুতে নতুন এসব সবজির চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকেরা। অধিক ফলন ও কাঙ্ক্ষিত লাভের আশায় কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম করছেন এ অঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীরা। কেউ নতুন চারা রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন, কেউ চারার গোড়ায় মাটি দিচ্ছেন, আবার কেউ নিড়ানি দেওয়া ও রোগবালাই দমনে বালাইনাশক প্রয়োগে ব্যস্ত। শুধু পুরুষেরা নন, সবজির পরিচর্যা ও চারা উৎপাদনে সমানভাবে ভূমিকা রাখছেন গ্রামীণ নারীরাও।

স্থানীয় সবজি চাষিরা জানান, সাধারণ সময়ের তুলনায় আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ পর্যন্ত লাভ করা যায়।

এই লাভজনক দিক বিবেচনায় গত কয়েক বছর ধরে টাঙ্গাইলে বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ বাড়ছে। বিশেষ করে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর চরাঞ্চল এবং পাহাড়ি এলাকার উর্বর মাটি আগাম সবজি চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরই জেলায় এর আবাদ বাড়ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের সবজি প্রতিদিন ট্রাকভর্তি করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মধুপুর উপজেলার দরিহাসিল গ্রামের কৃষক রায়হান কাজী এখন ফুলকপির ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর ফসলি জমি এরই মধ্যে সবুজে ভরে উঠতে শুরু করেছে। ৭০ শতাংশ জমিতে সারি সারি ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ফুলকপি শোভা পাচ্ছে।

রায়হান কাজী বাসসকে বলেন, ৭০ শতাংশ জমিতে তিনি ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ১৬ হাজার ফুলকপির চারা রোপণ করেছেন। এ পর্যন্ত তাঁর খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকার কিছু বেশি। দুই মাস পর কপি বিক্রি করতে পারবেন। ভালো ফলন ও ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদ দিয়ে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালীন সবজির বাজারদর ভালো ছিল। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আশানুরূপ ফলন হয়নি। তাই লাভের আশায় দ্রুত শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন।

ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের ফুলমালীর চালা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বলেন, এক মাস আগে তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে শিম ও লাউ চাষ করেছেন। গাছগুলো বেশ ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে কিছু গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। এ বছর ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি। ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারলে লাভবান হবেন বলে জানান এই কৃষক।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বাসসকে বলেন, আগাম জাতের ফুলকপি যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর ভেষজ গুণও রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রণোদনার আওতায় কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তায় মধুপুর উপজেলায় এবার ২ হেক্টর জমিতে মাঠ প্রদর্শনীর মাধ্যমে আগাম ফুলকপির চাষ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতির মাধ্যমে আগামীতে উপজেলার আরও অনেক কৃষককে আগাম সবজি চাষে উৎসাহিত করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক সোয়েব মাহমুদ বাসসকে বলেন, এ বছর টাঙ্গাইলে ১১ হাজার ৪৫০ হেক্টর কৃষিজমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ থেকে ২ লাখ ৯৪ হাজার ২২০ মেট্রিক টন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, অধিক লাভের আশায় কিছু কিছু এলাকার কৃষকেরা এরই মধ্যে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন। তবে আগামী অক্টোবর থেকে শীতকালীন সবজি চাষে পুরোপুরি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন কৃষকেরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে এবং কৃষকেরাও লাভবান হবেন। পাশাপাশি নিরাপদ ও মানসম্মত সবজি উৎপাদনের বিষয়েও কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ

04 October 2026

ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

www.hostbuybd.com

আগাম সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন টাঙ্গাইলের কৃষকেরা, বাড়ছে আবাদ

Update Time : ০৬:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনুকূল আবহাওয়া, কৃষি বিভাগের পরামর্শ, আধুনিক প্রযুক্তি ও নিবিড় পরিচর্যায় আশ্বিনের শুরুতেই টাঙ্গাইলের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে দেখা দিয়েছে আগাম শীতকালীন সবজির সবুজ সমারোহ। শীত আসতে এখনো তিন মাসের বেশি সময় বাকি থাকলেও আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কৃষকেরা।

মানসম্মত বীজ ব্যবহারে কারিগরি সহায়তা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শ পেয়ে ভালো দাম পাওয়ার আশায় শীতকালীন সবজি চাষে স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এরই মধ্যে শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা। মাঠে মাঠে দেখা যাচ্ছে নানা ধরনের সবজি। এর মধ্যে রয়েছে মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, দেশি লাউ, গাজর ও শিম।

টাঙ্গাইলে সবজি চাষের জন্য পরিচিত পাহাড়ি অঞ্চল মধুপুর, ঘাটাইল, ধনবাড়ী ও সখীপুর এবং যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর অববাহিকার চরাঞ্চলের কৃষিজমি এখন নানা ধরনের সবজিতে ভরে উঠেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষিরা ভালোভাবেই ফসল উৎপাদন করছেন। শীতকালীন আগাম সবজির ভালো দাম পাওয়ার আশায় কৃষকেরা আগের তুলনায় আরও বেশি আগ্রহ নিয়ে চাষাবাদে নামছেন।

সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সারি সারি শাকসবজির আবাদ। অধিকাংশ কৃষিজমিতে মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, লাউ, টমেটো, লালশাক, পালংশাক ও পুঁইশাকসহ বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজির চাষ শুরু হয়েছে। কোথাও কোথাও আগাম জাতের লালশাক, মুলা ও লাউ ইতিমধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে।

মৌসুমের শুরুতে নতুন এসব সবজির চাহিদা বেশি থাকায় বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকেরা। অধিক ফলন ও কাঙ্ক্ষিত লাভের আশায় কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম করছেন এ অঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীরা। কেউ নতুন চারা রোপণের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন, কেউ চারার গোড়ায় মাটি দিচ্ছেন, আবার কেউ নিড়ানি দেওয়া ও রোগবালাই দমনে বালাইনাশক প্রয়োগে ব্যস্ত। শুধু পুরুষেরা নন, সবজির পরিচর্যা ও চারা উৎপাদনে সমানভাবে ভূমিকা রাখছেন গ্রামীণ নারীরাও।

স্থানীয় সবজি চাষিরা জানান, সাধারণ সময়ের তুলনায় আগাম সবজি বাজারে তুলতে পারলে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ পর্যন্ত লাভ করা যায়।

এই লাভজনক দিক বিবেচনায় গত কয়েক বছর ধরে টাঙ্গাইলে বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ বাড়ছে। বিশেষ করে যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর চরাঞ্চল এবং পাহাড়ি এলাকার উর্বর মাটি আগাম সবজি চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছরই জেলায় এর আবাদ বাড়ছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের সবজি প্রতিদিন ট্রাকভর্তি করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মধুপুর উপজেলার দরিহাসিল গ্রামের কৃষক রায়হান কাজী এখন ফুলকপির ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর ফসলি জমি এরই মধ্যে সবুজে ভরে উঠতে শুরু করেছে। ৭০ শতাংশ জমিতে সারি সারি ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ফুলকপি শোভা পাচ্ছে।

রায়হান কাজী বাসসকে বলেন, ৭০ শতাংশ জমিতে তিনি ক্যাপটেন ও উইনার জাতের ১৬ হাজার ফুলকপির চারা রোপণ করেছেন। এ পর্যন্ত তাঁর খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকার কিছু বেশি। দুই মাস পর কপি বিক্রি করতে পারবেন। ভালো ফলন ও ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদ দিয়ে আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালীন সবজির বাজারদর ভালো ছিল। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আশানুরূপ ফলন হয়নি। তাই লাভের আশায় দ্রুত শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন।

ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়নের ফুলমালীর চালা গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বলেন, এক মাস আগে তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে শিম ও লাউ চাষ করেছেন। গাছগুলো বেশ ভালো হয়েছে। এরই মধ্যে কিছু গাছে ফল আসতে শুরু করেছে। এ বছর ভালো ফলনের আশা করছেন তিনি। ন্যায্য দামে বিক্রি করতে পারলে লাভবান হবেন বলে জানান এই কৃষক।

মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বাসসকে বলেন, আগাম জাতের ফুলকপি যেমন সুস্বাদু, তেমনি এর ভেষজ গুণও রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রণোদনার আওতায় কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তায় মধুপুর উপজেলায় এবার ২ হেক্টর জমিতে মাঠ প্রদর্শনীর মাধ্যমে আগাম ফুলকপির চাষ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতির মাধ্যমে আগামীতে উপজেলার আরও অনেক কৃষককে আগাম সবজি চাষে উৎসাহিত করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক সোয়েব মাহমুদ বাসসকে বলেন, এ বছর টাঙ্গাইলে ১১ হাজার ৪৫০ হেক্টর কৃষিজমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ থেকে ২ লাখ ৯৪ হাজার ২২০ মেট্রিক টন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

তিনি বলেন, অধিক লাভের আশায় কিছু কিছু এলাকার কৃষকেরা এরই মধ্যে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন। তবে আগামী অক্টোবর থেকে শীতকালীন সবজি চাষে পুরোপুরি ব্যস্ত হয়ে পড়বেন কৃষকেরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে এবং কৃষকেরাও লাভবান হবেন। পাশাপাশি নিরাপদ ও মানসম্মত সবজি উৎপাদনের বিষয়েও কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card