Dhaka ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
বিয়ে নিয়ে কেয়া পায়েলের ভাবনা, জীবনসঙ্গী হিসেবে চান বিশ্বাস ও সম্মান জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারকে সহযোগিতা করবে জামায়াত: গোলাম পরওয়ার মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

নেপালের বন্যার পানিতে ভেসে বিহারে বড় বড় মাছ, খাওয়া-বিক্রিতে সতর্কতা

  • Md Sadikul islam (shopnil)
  • Update Time : ০৯:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ Time View

নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর অস্বাভাবিক আকারের বড় বড় মাছ ভেসে আসে। এসব মাছ ধরতে দেখা যায় স্থানীয় অনেক মানুষকে। বন্যার পানির প্রবল স্রোতে মাছগুলো ভারতের বিহার রাজ্যেও পৌঁছে যায়।

বিহারে ভেসে আসা এসব মাছ অনেকে ধরছেন, খাচ্ছেন এবং বিক্রিও করছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিহার সরকার। অস্বাভাবিক আকারের এসব মাছ খাওয়া ও বিক্রি থেকে সাধারণ মানুষকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

গত সোমবার জননিরাপত্তাবিষয়ক এক সতর্কবার্তায় বিহার সরকারের ডেইরি বিভাগের মৎস্য ডিভিশন জানায়, এসব মাছ খাওয়ার পর কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বন্যার পানির স্রোতে পুকুর, নদী, লেকসহ বিভিন্ন জলাশয় থেকে মাছ ভেসে যেতে পারে। একইভাবে বন্যার পানির সঙ্গে মাছ অনেক দূরের এলাকায়ও পৌঁছে যেতে পারে। এ সময় দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ফলে মাছগুলো দূষিত ড্রেন, মৃত প্রাণী এবং অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে। এতে মাছের শরীরে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এ কারণে অপরিচিত এসব মাছ সম্পূর্ণ নিরাপদ—এমন নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তা না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।

বিশেষ করে সরাসরি বন্যার পানি থেকে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিহার সরকার।

বিহারের গন্ধক নদীতে বন্যার পর থেকেই বড় আকারের মাছ দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে অত্যন্ত বড় আকারের মাগুর মাছও রয়েছে।

ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার পরিচালক সমীর কুমার সিনহা সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, বিহারে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে মাগুর মাছ। ভারতে এসব মাছ খাওয়া হয়। তবে মাছগুলো মারা যাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই পচতে শুরু করে। তাই খাওয়ার আগে মাছগুলো পচে গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

সূত্র: নিউজ-১৮

Share this news as a Photo Card

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিয়ে নিয়ে কেয়া পায়েলের ভাবনা, জীবনসঙ্গী হিসেবে চান বিশ্বাস ও সম্মান

04 October 2026

ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

www.hostbuybd.com

নেপালের বন্যার পানিতে ভেসে বিহারে বড় বড় মাছ, খাওয়া-বিক্রিতে সতর্কতা

Update Time : ০৯:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে গত বুধবার ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর অস্বাভাবিক আকারের বড় বড় মাছ ভেসে আসে। এসব মাছ ধরতে দেখা যায় স্থানীয় অনেক মানুষকে। বন্যার পানির প্রবল স্রোতে মাছগুলো ভারতের বিহার রাজ্যেও পৌঁছে যায়।

বিহারে ভেসে আসা এসব মাছ অনেকে ধরছেন, খাচ্ছেন এবং বিক্রিও করছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিহার সরকার। অস্বাভাবিক আকারের এসব মাছ খাওয়া ও বিক্রি থেকে সাধারণ মানুষকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

গত সোমবার জননিরাপত্তাবিষয়ক এক সতর্কবার্তায় বিহার সরকারের ডেইরি বিভাগের মৎস্য ডিভিশন জানায়, এসব মাছ খাওয়ার পর কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বন্যার পানির স্রোতে পুকুর, নদী, লেকসহ বিভিন্ন জলাশয় থেকে মাছ ভেসে যেতে পারে। একইভাবে বন্যার পানির সঙ্গে মাছ অনেক দূরের এলাকায়ও পৌঁছে যেতে পারে। এ সময় দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ফলে মাছগুলো দূষিত ড্রেন, মৃত প্রাণী এবং অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে। এতে মাছের শরীরে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এ কারণে অপরিচিত এসব মাছ সম্পূর্ণ নিরাপদ—এমন নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তা না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।

বিশেষ করে সরাসরি বন্যার পানি থেকে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিহার সরকার।

বিহারের গন্ধক নদীতে বন্যার পর থেকেই বড় আকারের মাছ দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে অত্যন্ত বড় আকারের মাগুর মাছও রয়েছে।

ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার পরিচালক সমীর কুমার সিনহা সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, বিহারে সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে মাগুর মাছ। ভারতে এসব মাছ খাওয়া হয়। তবে মাছগুলো মারা যাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই পচতে শুরু করে। তাই খাওয়ার আগে মাছগুলো পচে গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

সূত্র: নিউজ-১৮

Share this news as a Photo Card