Dhaka ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনাম
বিয়ে নিয়ে কেয়া পায়েলের ভাবনা, জীবনসঙ্গী হিসেবে চান বিশ্বাস ও সম্মান জনকল্যাণমূলক কাজে সরকারকে সহযোগিতা করবে জামায়াত: গোলাম পরওয়ার মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের পাশে নাগরিক উদ্যোগ নিল বিএমইউ বুয়েটের ডিগ্রি, ছেড়েছেন লোভনীয় চাকরি—প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষক নায়লা শারাফ ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ল এক দিন, ২০–২৪ অক্টোবর টানা ছুটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ডেইসেরথ, হেগেম্যান ও নাগেল বিসিআইসির চেয়ারম্যান হলেন অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা শিক্ষকতা ‘উপায়হীন বিকল্প’ নয়, মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে হবে: তারেক রহমান ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর দাবি: ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটির কারণে আমার মক্কেলরা দায়ী নন’

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আসামিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষে এ কথা বলেন আইনজীবী এম হাসান ইমাম। এ মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতাকে আসামি করা হয়েছে।

এম হাসান ইমাম বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আমি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছি। এই তিনজনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ হলো ‘‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’’। তাদের দাবি, আমার মক্কেলরা হত্যাযজ্ঞের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কমান্ড রেসপনসিবিলিটি হয় যুদ্ধক্ষেত্রে। অর্থাৎ কোনো কমান্ডারের অধীনস্থরা যুদ্ধে যে অপরাধ বা আইন লঙ্ঘন করে, তার জন্য কমান্ডারই দায়ী।’

কাদের, নাছিম ও আরাফাত কোনো কমান্ডার ছিলেন না উল্লেখ করে এই আইনজীবী বলেন, ‘তারা রাজনীতিবিদ। সব নির্দেশই একজনের কাছ থেকে এসেছে। নামটি আপাতত বলতে চাই না। তবে তাঁর আদেশই সবাই বাস্তবায়ন করেছেন। সুতরাং কমান্ড রেসপনসিবিলিটির কারণে আমার মক্কেলরা দায়ী নন।’

তিনি বলেন, ‘এভিডেন্সে আসছে, আমরা (আসামিরা) কোনো হত্যাকাণ্ড, গোলাগুলি ও মারামারিতে সম্পৃক্ত ছিলাম না। ঢাকার মিরপুর, রাজশাহী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও ফেনীতে কোথাও আমাদের (আসামিদের) ব্যক্তিগত উপস্থিতি ছিল না। এটা সাক্ষীরা বলে গেছেন। অতএব এসব হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছেন, তারা দায়ী। আমার মক্কেলরা নন। ট্রাইব্যুনালেও আমি এসব বক্তব্য তুলে ধরেছি।’

কমান্ড রেসপনসিবিলিটিতে কোন ব্যক্তি দায়ী—এমন প্রশ্নের জবাবে এম হাসান বলেন, ‘যিনি নির্দেশ দিয়েছেন, নামটি আমি বলতে চাচ্ছি না। কারণ আদালত নিজেই বলেছেন—‘‘এ মামলার আসামিদের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করা যাবে না।’’ নির্দেশ বা আদেশ একজন ব্যক্তির কাছ থেকেই উৎসারিত হয়েছে। তাঁর নাম আমি বলব না।’

কমান্ড রেসপনসিবিলিটি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই থাকে, নাকি অন্য ক্ষেত্রেও হতে পারে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নেতার ক্ষেত্রে হতে পারে। তারা সংশোধনী এনে বলছে, নেতারা দায়ী হবে। কিন্তু ধারা ৩-এ ও ৪(৩)-এ বলা হয়েছে ‘‘একজন’’। অর্থাৎ হি ইজ রেসপনসিবল, ওয়ান পার্সন ইজ রেসপনসিবল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া আমার মক্কেলরা ঘটনাস্থলে ছিলেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোনো সাক্ষীই সাক্ষ্য দেননি। এজন্যই আমি তাঁদের অব্যাহতি চেয়েছি। কারণ তাঁরা কোনো হত্যাযজ্ঞ করেননি।’

Share this news as a Photo Card

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বিয়ে নিয়ে কেয়া পায়েলের ভাবনা, জীবনসঙ্গী হিসেবে চান বিশ্বাস ও সম্মান

04 October 2026

ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল আকিজ ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার

www.hostbuybd.com

রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর দাবি: ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটির কারণে আমার মক্কেলরা দায়ী নন’

Update Time : ০৬:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় আসামিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষে এ কথা বলেন আইনজীবী এম হাসান ইমাম। এ মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতাকে আসামি করা হয়েছে।

এম হাসান ইমাম বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আমি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছি। এই তিনজনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ হলো ‘‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’’। তাদের দাবি, আমার মক্কেলরা হত্যাযজ্ঞের নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কমান্ড রেসপনসিবিলিটি হয় যুদ্ধক্ষেত্রে। অর্থাৎ কোনো কমান্ডারের অধীনস্থরা যুদ্ধে যে অপরাধ বা আইন লঙ্ঘন করে, তার জন্য কমান্ডারই দায়ী।’

কাদের, নাছিম ও আরাফাত কোনো কমান্ডার ছিলেন না উল্লেখ করে এই আইনজীবী বলেন, ‘তারা রাজনীতিবিদ। সব নির্দেশই একজনের কাছ থেকে এসেছে। নামটি আপাতত বলতে চাই না। তবে তাঁর আদেশই সবাই বাস্তবায়ন করেছেন। সুতরাং কমান্ড রেসপনসিবিলিটির কারণে আমার মক্কেলরা দায়ী নন।’

তিনি বলেন, ‘এভিডেন্সে আসছে, আমরা (আসামিরা) কোনো হত্যাকাণ্ড, গোলাগুলি ও মারামারিতে সম্পৃক্ত ছিলাম না। ঢাকার মিরপুর, রাজশাহী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও ফেনীতে কোথাও আমাদের (আসামিদের) ব্যক্তিগত উপস্থিতি ছিল না। এটা সাক্ষীরা বলে গেছেন। অতএব এসব হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছেন, তারা দায়ী। আমার মক্কেলরা নন। ট্রাইব্যুনালেও আমি এসব বক্তব্য তুলে ধরেছি।’

কমান্ড রেসপনসিবিলিটিতে কোন ব্যক্তি দায়ী—এমন প্রশ্নের জবাবে এম হাসান বলেন, ‘যিনি নির্দেশ দিয়েছেন, নামটি আমি বলতে চাচ্ছি না। কারণ আদালত নিজেই বলেছেন—‘‘এ মামলার আসামিদের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তির নাম উচ্চারণ করা যাবে না।’’ নির্দেশ বা আদেশ একজন ব্যক্তির কাছ থেকেই উৎসারিত হয়েছে। তাঁর নাম আমি বলব না।’

কমান্ড রেসপনসিবিলিটি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই থাকে, নাকি অন্য ক্ষেত্রেও হতে পারে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নেতার ক্ষেত্রে হতে পারে। তারা সংশোধনী এনে বলছে, নেতারা দায়ী হবে। কিন্তু ধারা ৩-এ ও ৪(৩)-এ বলা হয়েছে ‘‘একজন’’। অর্থাৎ হি ইজ রেসপনসিবল, ওয়ান পার্সন ইজ রেসপনসিবল।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া আমার মক্কেলরা ঘটনাস্থলে ছিলেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোনো সাক্ষীই সাক্ষ্য দেননি। এজন্যই আমি তাঁদের অব্যাহতি চেয়েছি। কারণ তাঁরা কোনো হত্যাযজ্ঞ করেননি।’

Share this news as a Photo Card